এই অচেনা শহর আপনারই হবে - RUN BY UK UNIVERSITY STUDENTS AND ALUMNI
Community Pulse
Royal Education Community
We provide guidance to millions of students on social media who want to study in the UK.
Royal Family
Our team works for students’ well-being in the UK. We receive our students at the airport and take them to their accommodation. Our counselors provide guidance according to their career goals. We treat our students like a royal family.
Join Our Facebook
Join Our YOUTUBE
Join Our Instagram
Join Our Tiktok
Costs, housing, part-time jobs, and reality.
Read on Substack
Swapnil – Greenwich BSC Cyber Security
USA Flagship স্কলারশিপ পাওয়ার পরও আমি Uk আসার সিদ্ধান্ত নিই। অনেক রিসার্চ, খোঁজখবর নেওয়ার পরই এখানে আসার পরিকল্পনা করি। রিসার্চ করে মনে হলো Education তো top-notch, আর আমার জন্য রয়েছে endless opportunity. স্টুডেন্ট হিসেবে আমার বড় অর্জন ছিল উচ্চমাধ্যমিকে Dropped out হওয়া। তখন একসময় মনে হয়েছিল, আমাকে দিয়ে আর পড়াশোনা হবে না। কিন্তু বাবার একটা স্বপ্ন ছিল — তার ছেলেকে বিদেশে পড়াবে। সেই স্বপ্নের পথ ধরেই আমি আবার নতুন করে স্কুলে ফিরে যাই। ছোটবেলা থেকেই কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এর কারণে ইংরেজিতে ভালো ছিলাম, তাই IELTS-এও ভালো রেজাল্ট চলে আসে। যেহেতু academic পড়াশোনার সাথে আমার তেমন সখ্যতা ছিল না, তাই স্কুল-কলেজ জীবনে আমি অনেক এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজে জড়িত ছিলাম। একদিন ফেসবুকে আমার একটা পোস্টের কমেন্টে দেখি, একজন ইউকের স্কলারশিপ নিয়ে তথ্য শেয়ার করছেন। মূল পরিকল্পনা ছিল, নিজেই সবকিছু ম্যানেজ করে এপ্লাই করব। কিন্তু তার সাথে কথা বলার পর এক ধরনের প্রশান্তি পেলাম। তিনি আমার জন্য ৩টি অফার লেটার এনেছিলেন, তাও স্কলারশিপসহ। বাবাকে বলিনি যে একজন মেন্টরের সহায়তা নিচ্ছি। সবাই জানতো ছেলে আমেরিকা যাচ্ছে। তবে আম্মু সরাসরি ভাইয়ার সাথে কথা বলেছিলেন। গত কয়েক মাস তিনি নিয়মিত আমার এবং আমার পরিবারের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন, সবকিছুতে সহযোগিতা করেছেন। সব ঠিকঠাক চলছিল, কিন্তু UKVI ইন্টারভিউয়ের ঠিক আগে আমার ১০৪ ডিগ্রি জ্বর! অসুস্থ শরীরেই এক ঘণ্টার ইন্টারভিউ দিই, আর সেখান থেকেই UK ভিসা অ্যাপ্রুভড হয়। ২৭ ঘণ্টার দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে যখন লন্ডনের হিথ্রো এয়ারপোর্টে নামলাম, মনে হচ্ছিল স্বপ্নগুলো যেন সত্যি হয়ে যাচ্ছে। অজস্র ভাবনা ঘুরছিল মাথার ভেতর। ঠিক তখনই Royal Education-এর একটা লাইন মনে পড়ে গেল — “শহর অচেনা হতে পারে, আমরা নই।” সত্যিই, বিমানবন্দরে যখন তিনজন পরিচিত মুখ আমাকে স্বাগত জানালেন, মনে হলো আমি একা নই। অচেনা শহরটা মুহূর্তেই আপন হয়ে গেল। সবশেষে, Royal Education এবং Saidur Rahman Suzad ভাইয়াকে অসীম ধন্যবাদ, যিনি বাংলাদেশ থেকে শুরু করে লন্ডন পর্যন্ত আমার পাশে থেকেছেন। আমার ইউকে যাত্রার শুরু হয়েছিল ফেসবুকের একটা কমেন্ট থেকে, আর এখন লন্ডনের বুকে নতুন গল্প শুরু হচ্ছে। আমার পরামর্শ থাকবে — ভালো নেটওয়ার্ক তৈরি করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, মানুষ পাবেন সর্বত্র। সব আসন্ন স্টুডেন্টদের জন্য শুভকামনা। যাত্রা যতই কঠিন হোক, একদিন আপনিও জিতবেন। Collected from his Facebook post.
Rafi - MSc Sustainable Construction
আমার ইউকে ভিসা জার্নিতে সবচেয়ে বড় সাপোর্ট দিয়েছে Royal Education। অন্য দেশে ভিসা রিফিউস থাকার সত্ত্বেও তারা আমাকে পথ দেখিয়েছে। ইন্টারভিউ প্রিপারেশন সেশনগুলো কঠোর হলেও কার্যকর ছিল, যা ভিসা পেতে অনেক সাহায্য করেছে। তারা প্রতিটি ধাপে পাশে থেকেছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। Royal Education এর MD Khairul Bashar সবসময় আমার পাশে ছিলেন। যারা ইউকেতে স্টাডি করতে চান, তাদের জন্য Royal Education সত্যিই নির্ভরযোগ্য। Collected from his Facebook post.
Romi Francis Gomes - London Metropolitan University
It was an amazing journey from Bangladesh to London with Royal Education. I received a good amount of scholarship for my MSc. I got full guidance from their team. They received me at the airport, and I even got support in the UK from Royal. Thanks a lot! Collected from his Facebook post.
Md Sujon Sikder - MBA
Royal Education আমার বিদেশে পড়াশোনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। খুব ভালো একাডেমি প্রোফাইল না থাকা সত্বেও স্কলারশিপ সহ এডমিশন পেয়েছি। ইন্টারভিউ সেশনগুলো ছিল কঠোর কিন্তু ভীষণ কার্যকর। সেই প্রস্তুতিই আমাকে ভিসা পেতে সাহায্য করেছে। ইউকে পৌঁছানোর পরও তাদের সাপোর্ট থেমে থাকেনি। Collected from his Facebook post.
Samit - MSc Data and AI
আমার ইউকে জার্নিতে সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য সাপোর্ট পেয়েছি Royal Education থেকে। দীর্ঘ স্টাডি গ্যাপ থাকা সত্ত্বেও তারা আমার প্রোফাইল খুব মনোযোগ দিয়ে সাজিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স, লোকেশন ও বাজেট সবকিছু পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছে। খুবই স্বচ্ছতার সাথে প্রতিটি ধাপে আমাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছে। Organised SoP থেকে শুরু করে স্কলারশিপ ম্যানেজমেন্ট এবং এডমিশন পর্যন্ত পুরো প্রসেস ছিল পরিকল্পিত ও স্বচ্ছ। ভিসার সিদ্ধান্ত দেরি হওয়ার সময় তাদের মানসিক সাপোর্ট আমাকে ভেঙে পড়া থেকে বাঁচিয়েছে। যারা ইউকে আসতে চান, তাদের জন্য Royal Education নিঃসন্দেহে একটি নির্ভরযোগ্য নাম। Collected from his Facebook post.
Nanziba Nabi Hridy - PGDL
আমার Royal Education এর সঙ্গে যাত্রা যদিও ইনফর্মালভাবে শুরু হয়েছিল, তাদের আন্তরিকতা প্রথম থেকেই প্রশংসনীয় ছিল। এপ্লিকেশন থেকে ভিসা প্রসেসিং পর্যন্ত তারা সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়েছে। বিশেষভাবে সুজাদ ধৈর্য্যসহ আমার সমস্যাগুলো সমাধান করেছেন, আর CAS ইন্টারভিউয়ের জন্য নেওয়া মক সেশনগুলো খুব সাহায্য করেছে। ভিসা এপ্লিকেশনে ফজলে এলাহী সব বিষয়েই সহযোগিতা করেছেন। সব মিলিয়ে, তাদের প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। Collected from his Facebook post.
MD Abdullah - Aston University
জব ছেড়ে দিয়েছি। গত পাচ বছরে বিভিন্ন দেশে চেষ্টা করে অনেক টাকা পয়সা খরচ হয়ে গেছে।এবার না হলে সব শেষ হয়ে যাবে। অনেক দিন ইউকে এম্বাসি অপেক্ষা করিয়ে ভিসা দেয়নি। এদিকে ইউনিভার্সিটি শেষ তারিখ জানিয়ে দিয়েছে। সকাল ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বারবার ইমেইল চেক করা, মেসেজ কি এসেছে দেখার জন্য। দিন, সপ্তাহ, মাস চলে গেলেও ভিসা আসেনি। আজ রাতই শেষ, এর পর সব বাদ দিয়ে নিরাশ হয়ে নতুন এক হতাশা নিয়ে আগের মতো জীবনযুদ্ধ শুরু। যখন আশার আলো প্রায় ফিকে হয়ে আসে এবং নিরাশার চাদরে ঢাকা রাতের অন্ধকারে নিজেকেও দেখা যায় না, তখনও একজন আছেন যিনি আপনাকে ছেড়ে যাননি। ভিজা চোখে, চরম হতাশা নিয়ে ফোন হাতে নিয়ে বলছিলাম, আল্লাহ সবার হলো, শুধু আমারটা হলো না। ঠিক তখনই মেসেজ এলো "Your application for a UK visa has been successful." গ্রামে আমার বাবা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। রাত প্রায় ১২টা, উনি ঘুম থেকে ভেগে উঠলেন। যখন সংবাদটি দিলাম, তখন উনি চিৎকার করে বললেন, “আল্লাহু আকবার।” জীবনে বারবার অন্ধকার নেমে আসে, তবে বিশ্বাসীরা জিতে যায়-এটা আমি নিজের চোখে দেখেছি। আল্লাহ আমাকে নিরাশ করেননি। সেদিন রাতেই তাৎক্ষণিক টিকেট কেটে ঢাকা থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। নতুন দেশে কোথায় যাব, কোথায় থাকব-এগুলোর চিন্তা করার সময় ছিল না। প্লেনে ওঠার আগে Royal Education এর Khairul Bashar ভাইকে টিকেটের ছবি দিয়ে রেখেছিলাম। ইমিগ্রেশন শেষ করে যখন বাইরে বের হলাম, তখন দেখি তিনি ফুল হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। “এই শহরে আপনাকে স্বাগতম, চলুন বাসার দিকে যাই। এই শহরে আপনি ভালো থাকবেন। রয়েল আমার জন্য যা করেছে তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। Collected from his Facebook post.
Tanjim Ahmed Turjo - LLM in Commercial Law
I have successfully received my UK visa and have safely arrived in the UK! A special thanks to Royal Education UK for their continuous support and guidance throughout the entire process. They even welcomed me at the airport. It was amazing that they came to receive me. Wishing the very best of luck to everyone preparing for their next steps! Collected from his Facebook post.
MH Turjo - Ext MSc International Business
প্রথম ইন্টারভিউতে ফেইল হওয়া সত্ত্বেও ইউকে ভিসা পেয়েছি। আমার ইউকে আসার কোনো প্লান ছিল না। UKVI ইন্টারভিউতে রিফিউজাল শুনে একসময় অন্য দেশে চলে যাওয়ার কথাও ভাবছিলাম। গ্রুপে ঢুকে দেখি চারদিকে রিফিউজাল। কমেন্ট বক্সে নেগেটিভ কথাবার্তার ছড়াছড়ি। কেউ ভিসা পেলে কিছু বুদ্ধিজীবী আবার নেগেটিভ কমেন্ট করতেই থাকে। এই ব্যস্ত দেশে তারা এত সময় পায় কোথায়? ভিসা হওয়ার পর কাউকে আর কিছু বলিনি। ভাবলাম নিজ চোখে দেখে তারপর বলব। এখানে আসার পর কয়েকজন পূর্ব পরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হলো। একজনের কাছে ইউকে জাহান্নাম, আর বাকিরা অনেকগুলো জব করেছে, আবার মন মতো না হওয়ায় ছেড়েও দিয়েছে। আমি আবার এসব জাহান্নামের কথাবার্তা শুনে ভয় পাই। তাই পজিটিভ মানুষদের সঙ্গেই চলাফেরা করি। না, খারাপ না। ইউকে ভালোই, তবে সেটা মানুষভেদে নির্ভর করে কার জন্য কেমন। অনেকে কষ্ট করছে, আবার অনেকে ভালো অবস্থানে আছে। আমার আবার রিজিকের উপর বিশ্বাস বেশি। কপালে যা আছে, তাই হবে। অন্তত বাংলাদেশ থেকে ভালো থাকব। CAS interview retake এসেছিল। পরে পাশ করার পর CAS এসেছিল।Ukvi Interview এর জন্য প্রায় ১৫টি সেশন করেছিলাম। এমন কোনো প্রশ্ন ছিল না যেটা তারা শেখায়নি। অনেকগুলো কাউন্টার প্রশ্নও শিখিয়েছে। এত প্রিপারেশন নিয়ে মনে হচ্ছিল, ইন্টারভিউ দিলেই ভিসা পাবো। কি একটা অবস্থা। ইন্টারভিউ ছাড়াই চার দিনে ভিসা দিয়েছে। এত এত দুশ্চিন্তা, অথচ ইন্টারভিউই নেয়নি। ভিসা হলো। এয়ারপোর্টে আসলাম, কিন্তু আমার লাগেজ আসেনি। বিমান বাংলাদেশ ভুলে গেছে যে আমি একা আসি নি।প্রায় তিন ঘণ্টা পরে লাগেজ এলো। এদিকে Royal Education ফুল নিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিল। তারা আমাকে যথেষ্ট হেল্প করেছিল। অপেক্ষার পালা শেষে নতুন দেশে আসা হলো। Collected from his Facebook post.
Ashikur Rahman Ashik - Msc in Cancer Biology
USA থেকে দুবার refused হয়ে Europe বাদ দিয়ে UK তে আসলাম। বাংলাদেশে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করার সময় আমেরিকার জন্য ২ বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। তারপর MSc in Cancer Biology এর জন্য ইউরোপে আবেদন করে ভিসাও পাই। কিন্তু সবকিছু বিবেচনা করে সেদিকে আর এগোইনি। সবকিছু মিলিয়ে সময় খুবই খারাপ যাচ্ছিল। কিন্তু আল্লাহ তো বান্দার মনের কথা বুঝতে পারেন। চারদিকে UK ভিসা রিফিউজাল দেখে ভিসা নিয়ে ভয়ে ছিলাম। সব হতাশার অবসান হয়ে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে আমার ভিসা approved হয়। এই আনন্দের মধ্যেই সড়ক দুর্ঘটনায় আমার পায়ের একটি আঙুল ভেঙে যায়। পায়ের প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে দীর্ঘ যাত্রা শেষে লন্ডন বিমানবন্দরে নামি। ২টি লাগেজে ৪৮ কেজি এবং ঘাড়ের ৭ কেজি ওজনের ব্যাগ নিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে বাসায় যাওয়া নিয়ে অনেক চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু না, সেই চিরচেনা দৃশ্য। ফুল হাতে Royal Education আমার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে ফুল দিয়ে বরণ করে লাগেজ নিয়ে বাসায় পৌঁছে দেয়। গত ৩ বছরে অনেক এজেন্সি ঘুরেছি। আমি Royal Education এর মতো স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল এবং আন্তরিক কাউকে দেখিনি। অনেক কঠিন সময় দেশে পার করাতে এখানের স্ট্রাগলটা খুব কঠিন মনে হচ্ছে না। এই বিদেশে আসার জন্য এত চিন্তা করেছি, আজ এখানে আছি এটাই শুকরিয়া। Collected from his Facebook post.
Rumi Begum - MA Human Resource Management
দুইবার ভিসা রিজেকশনের পরে আমি UK ভিসা পেয়েছি। ২০২১ সাল থেকে বিদেশের চেষ্টা করতে করতে প্রায় পাঁচ বছর চলে গেছে। দু’বার USA রিফিউসাল আসার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। কোন দিকে যাবো, কিভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেবো-সেটা খুঁজে পাইনি। এক কঠিন সময় অতিবাহিত করেছিলাম। যেহেতু আমার পরিবার ইউকেতে ছিলো, তখন প্রথমবার চেষ্টা করেছিলাম।কিন্তু সফল হইনি। তখন বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা ও শক্তি অনেকটাই হারিয়েছিল। সব দরজা যখন প্রায় বন্ধ তখন কাকতালীয়ভাবে একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। তারপর আবার নতুন করে শুরু করি। তাদের কথা শুনে আশা পেয়েছিলাম। তবে নিজের কপালকে দোষারোপ করতে করতে নিজের প্রতি বিশ্বাস অনেকটাই হারিয়েছিলাম। মনের মধ্যে একটু আশা ছিল-হয়তো এবার হবে।সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস ছিলো যে কিছু একটা হবে। UKVI ইন্টারভিউ এর প্রিপারেশন করেছি প্রায় দু’মাস।তারা বলেছিলো, "আপনি যদি UK ভিসা না পান, আমরা visa/immigration decision এর উপর challenge এ গিয়ে Administration Review করবো। শুধু ঠান্ডা মাথায় ইন্টার্ভিউতে কাউন্টার কুয়েশ্চনের উত্তর দিয়েন।" তখন নিজের ওপর বিশ্বাস ফিরে এসেছিল যে,"আমি ইন্টারভিউ দিয়েই ভিসা পাব।" VFS এ ফাইল জমা দিলাম। এক সাপ্তাহ পরে UKVI Additional documents চেয়ে বসে।তখন মনে হচ্ছিল পৃথিবীর সব বিপদ শুধু আমার জন্যই রাখা হয়েছে। তখন তারা বলে চিন্তার কারণ নেই।এটা স্বাভাবিক ,এটাও পরিকল্পনার অংশ।কিছু ডকুমেন্টস নিজেরা রেডি করে আমাকে দিয়ে Home office এ মেইল করালো। এদিকে আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। রাত গভীর হতে হতে দিন চলে যায় তবে ভিসা আসে না। কয়েকদিন পর মেইল আসলো: Your application for a United Kingdom (UK) visa has been successful. সেই সময়ে আমি Saidur Rahman Suzad ভাইকে প্রায় সাতবার কল করেছিলাম। তিনি কল ধরেননি। প্রথম থেকেই অনুপ্রেরণা, মানসিক সাপোর্ট, একের পর এক ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লিকেশন, ইন্টারভিউ এবং সময়ে সময়ে ইউনিভার্সিটির আপডেট-সবই দিয়েছেন। কিন্তু যখন ভিসা হলো, তখন তিনি কল রিসিভ করেননি। আমার জার্নিতে Royal Education কে কোনোভাবেই এজেন্সি মনে হয়নি। তাদের কথা ও আচরণ খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ। লন্ডন বা বাংলাদেশ সময়ে রাত-দিন যেভাবে কল দিয়েছি, সবসময় কাউকে না কাউকে পেয়েছি। তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা এক হিমালয়ের সমান। এই দীর্ঘ জার্নির সমাপ্তির পরে গত ২৫ তারিখে লন্ডনে এসেছি। এখন এখানে ঠান্ডায় ঘরে বসে আছি। জীবনে আলো এসেছে ঠিকই, তবে লন্ডনে সূর্যের আলো এখনও আসেনি। এখানে তাপমাত্রা -৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। Collected from her facebook post
Tanjid Tonmoy - MSc Artificial Intelligence and Robotics
Thanks to Royal Education for your support throughout the whole process. I received help from them every time I needed assistance or information. Alhamdulillah, I am now studying at my preferred university with my preferred course. I would recommend them to anyone who wants to study in the UK.
Free counselling • Real mentors • Proven systems
Book Free Session